সন্তানের পদবী হবে ‘‌মির্জা মালিক’ : সানিয়া মির্জা

স্টাফ রিপোর্টারঃ টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা সন্তানসম্ভবা কিনা তা নিয়ে এখনও কোনও নিশ্চিত খবর পাওয়া না গেলেও, শোয়েব মালিক এবং সানিয়ার সন্তানের পদবী যে ‘‌মির্জা মালিক’‌ হবে তা নিয়ে নিশ্চিত করে জানালেন তিনি। সানিয়া জানান, তার পরিবারের পদবী ’‌মির্জা’‌, তাই তার সন্তানের নামের শেষে সেই পদবীটা থাকবে। অন্যদিকে তিনি আরও জানান, তার স্বামী ক্রিকেটার শোয়েব মালিক কন্যা সন্তানই চান। এ বছরের গোয়া উৎসবে ‘‌লিঙ্গ বৈষম্য’‌ শীর্ষক আলোচনাসভায় যোগ দিয়েছিলেন সানিয়া। সেখানেই তিনি দর্শকদের সামনে এই কথা বলেন।

সানিয়া মির্জা বলেন, ‘‌আজ আমি একটা গোপন কথা বলতে চলেছি। আমি এবং আমার স্বামী এ নিয়ে কথা বলার পরই সিদ্ধান্ত নিই যে আমাদের সন্তানের পদবী হবে মির্জা মালিক। শুধু মালিক নয়। এভাবেই আমার স্বামীসহ আমরা একটা পরিবার হয়ে সেই সন্তানের পাশে দাঁড়াব। যদিও আমার স্বামী সবসময়ই মেয়ে সন্তানই চেয়েছেন।’‌ লিঙ্গ বৈষম্য সংক্রান্ত তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে সানিয়া বলেন, ‘‌ছোটবেলায় আত্মীয়দের শুনতাম আমার মা-বাবাকে বলতে, ছেলে হওয়া উচিত ছিল তাদের, তাহলে বংশ এগোতে পারত। কিন্তু আমরা ২ বোন, কখনওই চাইনি আমাদের ভাই হোক। তাই এ নিয়ে কেউ কিছু বলতে এলেই তাদের সঙ্গে ঝগড়া করতেন আমার মা-বাবা। তাই তাদের কাছে মেয়েসন্তান মেয়ে হিসেবেই দরকারি, বংশ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ছেলে অপ্রয়োজন।’


তিনি নিজেও বিয়ের পর নিজের পদবী বদলাননি, এখনও তিনি শুধু সানিয়া মির্জা, নামে মালিক বসেনি কোথাও। ক্রীড়াজগতে নারী-পুরুষের মধ্যে অর্থের দিক থেকে বৈষম্য আছে, তা শেষ হওয়া দরকার এবং মহিলা খেলোয়াড়দের প্রতি মানসিকতা বদলানো উচিত বলে মনে করেন সানিয়া।  

 

এক নজরে আইপিএলের প্রথম সবকিছু

স্টাফ রিপোর্টারঃ শুরু হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আইপিএলের ১১তম আসর। কিন্তু ক্রিকেট জগতের অন্যতম এই টুর্নামেন্টের প্রথম সবকিছু আপনার মনে আছে কি? তবে আর দেরি না করে চলুন এক নজরে দেখে নেই আইপিএলের প্রথম সব বিষয়গুলো।

প্রথম বল:‌ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু বনাম কলকাতা নাইট রাইডার্স ম্যাচে সৌরভ গাঙ্গুলিকে প্রথম বলটা করেছিলেন প্রবীণ কুমার।

প্রথম বাউন্ডারি:‌ ওই ম্যাচেরই দ্বিতীয় ওভারে জাহির খানের বলে প্রথম চার মেরেছিলেন কলকাতার ব্রেন্ডন ম্যাকালাম।

প্রথম ওভার বাউন্ডারি:‌ ওই ওভারেই পঞ্চম বলে জাহিরকে অনসাইডে ছক্কা মারেন ম্যাকালাম।

প্রথম আউট:‌ সৌরভ গাঙ্গুলি। ম্যাচের ষষ্ঠ ওভারে জাহির খানের বলে স্লিপে খোঁচা দিয়ে ক্যাচ তুলে দেন।

‌প্রথম হিটউইকেট:‌ মোহালিতে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব বনাম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচে মুম্বাইয়ের মুসাভির খোটে হিট উইকেট হন।

প্রথম মেডেন:‌ এই কৃতিত্ব গ্লেন ম্যাকগ্রার। ২০০৮ আইপিএলের তৃতীয় ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে দিল্লি ডেয়ারডেভিল্‌সের হয়ে তৃতীয় ওভারে একরানও দেননি অজি পেসার।

প্রথম সেঞ্চুরি:‌ প্রথম আইপিএলের প্রথম ম্যাচেই ৭৩ বলে ১৫৮ করেছিলেন ম্যাকালাম।

প্রথম পাঁচ উইকটে শিকার:‌ রাজস্থান রয়্যালসের সোহেল তনবীর। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ১৪ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন তিনি।

প্রথম চ্যাম্পিয়ন:‌ রাজস্থান রয়্যালস। চেন্নাই সুপার কিংসকে ফাইনালে তিন উইকেটে হারিয়েছিল তারা।

 

মৃত্যুর আগে কাশ্মীরের স্বাধীনতা চাইলেন শোয়েব আখতার

স্টাফ রিপোর্টারঃ আগেই টুইটারে নিজের কথা জানিয়েছিলেন শহিদ আফ্রিদি। তিনি বলেছিলেন, ভারতে থাকা কাশ্মীরে অত্যাচার করছে ভারত। এবার পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার শোয়েব আখতারও কাশ্মীর নিয়ে বিতর্কিত কথা লিখলেন ট্যুইটারে।পাকিস্তানি পেসবোলার শোয়েব আখতার এদিন টুইটারে নিজের অ্যাকাউন্টে লেখেন, ‘‌সালমান জামিন পাওয়ায় আল্লাহকে ধন্যবাদ জানাই। আর জীবনে একটা দিন দেখে যেতে চাই, যেদিন কাশ্মীর, ইয়েমেন, আফগানিস্তানে প্রকৃত স্বাধীনতা ফিরে আসবে। মৃত্যুর আগে এই একটা দিন দেখে যেতে চাই যখন রক্তঝরা বন্ধ হবে।’‌ 

যদিও কিছুক্ষণের মধ্যেই এই টুইটটি মুছে ফেলা হয়। এরপর আরেকটি টুইটে শোয়েব লেখেন, ‘‌আমাদের দু’‌দেশের নেতৃত্বকেই প্রশ্ন করা উচিত, যে কেন আমরা দীর্ঘ ৭০ বছর ধরে নিজেদের সম্পর্ক উন্নত করতে পারেনি। আমরা কি আরও ৭০ বছর এই ঘৃণা নিয়েই বাঁচতে চাই?‌’‌ 

সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় শোয়েব আরও জানিয়েছেন, ‘‌দীর্ঘ ৭০ বছর ধরে প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই চলছে। দু’‌দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রশাসকদের এই নিয়ে আলোচনায় বসা উচিত। তাহলেই এই দূরত্ব ঘুচবে। না হলে ৭০ বছর ধরে আমরা যা ভোগ করেছি, আমাদের পরবর্তী প্রজন্মও তাই ভোগ করবে। সেটা কী আমরা কেউ চাই?‌’‌  ‌‌

ভারতীয়দের পাল্টা জবাব আফ্রিদির.ডাকলেও তোমাদের দেশে যাব না

স্টাফ রিপোর্টারঃ কাশ্মীর সীমান্তে ভারত-পাকিস্তানের উত্তাপ পরিস্থিতির রেশ ছড়িয়ে পড়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দী দুই দেশের ক্রিকেট মহলেও। সম্প্রতি সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘন, নৃশংসতার নিন্দা জানিয়েছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্যতম তারকা শহীদ আফ্রিদি। এরপরই দুই দেশের ক্রিকেট মহলে উঠে সমালোচনার ঝড়। ভারতীয় ক্রিকেটার, বলিউড তারকাসহ বিভিন্ন মহল থেকে তার সমালোচনা করা হয়।ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি কপিল দেব থেকে শুরু করে শচীন টেন্ডুলকার, বিরাট কোহলি, গৌতম গম্ভীর মতো ক্রিকেটাররা আফ্রিদিকে জবাব দেন। তবে তাতেও চুপ করেননি এই পাকিস্তানি তারকা। পাল্টা জবাবটা বেশ ভালোভাবেই দিয়েছেন তিনি। 

আফ্রিদি বলেছেন, আমার আইপিএল খেলার দরকার নেই। ওরা আমায় ডাকলেও ইন্ডিয়ান লিগে খেলব না। পাকিস্তান মিডিয়াকে তিনি আরও বলেন, আইপিএলকে ধিক্কার দিই। সেদিন বেশি দূরে নয়, যখন পাকিস্তান সুপার লিগ আইপিএলের চেয়ে বেশি সফল হবে। কোনোদিন আইপিএলে আগ্রহ ছিলও না, এখনও নেই।

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই কাশ্মীরে ভারতীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ১৩ জনের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলেন তিনি। তিনি দাবি করেন, ভারত কাশ্মীর দখল করে রেখেছে, সেখানে অত্যাচার করছে ভারতীয় বাহিনী। পাশাপাশি আফ্রিদি জানতে চান, কেন জাতিসংঘ ও অন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সেখানে রক্তপাত ঠেকাতে কিছু করছে না।

হংকংকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের মেয়েরা

স্টাফ রিপোর্টারঃ ঘরের মাঠে সাফ ফুটবলে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুখস্মৃতি নিয়েই হংকং গিয়েছিল মেয়েদের অনূর্ধ্ব ১৫ দল। সেখানে নতুন করে আনন্দের উপলক্ষই তৈরি করল। স্বাগতিক হংকংকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা।প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ১০-১ গোল বিধ্বস্ত করার পর ইরানকেও ৮-১ গোল হারিয়ে শিরোপার প্রহরই গুনছিল গোলাম রব্বানী ছোটনের মেয়েরা। ফাইনালে হংকংও চ্যালেঞ্জ জানাতে পারল না বাংলাদেশের তহুরা, শামসুন্নাহার, আনুচিংদের।

ইরানের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিল তহুরা। ফাইনালেও হ্যাটট্রিক ওর। একটি করে গোল সাজেদা, শামসুন্নাহার ও আনুচিং মোগিনির। প্রথমার্ধে বাংলাদেশ এগিয়ে ছিল ৩-০ গোলে।এই টুর্নামেন্টে যে চার দেশ অংশ নিয়েছিল, তাদের মধ্যে নারী ফুটবল র‍্যাঙ্কিংয়ের বাংলাদেশের স্থান সবার পরে। মালয়েশিয়া ছিল ২২ ধাপ এগিয়ে। ইরান ৪৪ ধাপ। ৩১ ধাপ এগিয়ে ছিল হংকং। কিন্তু এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের মেয়েরা প্রমাণ করেছে র‍্যাঙ্কিং তাদের কাছে মাথা ঘামানোর কোনো বিষয় নয়।

গত ডিসেম্বরে ঢাকায় সাফ অনূর্ধ্ব ১৫ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জেতা বাংলাদেশের মেয়েরা এর আগে এএফসি আঞ্চলিক টুর্নামেন্টে দুবার শিরোপা জিতেছে। ২০১৫ সালে নেপাল থেকে আর ২০১৬-তে তাজিকিস্তান থেকে এসেছিল সেই সুসংবাদ।

প্রতিষ্ঠাতা : মরহুম সাংবাদিক আরিফ ইসলাম।
প্রকাশক: ওয়াহিদ সোহেল।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ইবনে সৈয়দ পিন্টু।
নির্বাহী সম্পাদক : রাজিব খান। বার্তা সম্পাদক : রুমন রহমান
যোগাযোগ : ১০৭/১, কাকরাইল, ঢাকা-১২১৭।
ইমেইল : AmarFaridpur@gmail.com