একটি সাফল্যের গল্প: সাজ্জাদ হোসাইন

সাজ্জাদ হোসাইন: ফরিদপুর জেলা নগরকান্দা থানা রামনগর ইউনিয়নের ছোট্ট একটি গ্রাম রাধানগর সেই গ্রামের খুব সাধারন একটি ছেলে সাজ্জাদ হোসাইন তার নাম। সেই সাধারন ছেলেটির অসাধারন একটি সাফল্যের গল্প আপনাদের মাঝে তুলে ধরলাম।

আমি সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের একজন ছাত্র; এই ছাত্র নামটা টিকিয়ে রাখার জন্য আমাকে দিনের পর দিন অনেক মেহনত করতে হয়েছে কখনো কৃষি কাজ কখনো আবার অটো বাইকের হেন্ডেল ধরতে হয়েছে।

এরিমধ্যে আমি একটি খবর পেলাম আনসার ও ভি ডি পি মোবাইল ফোন মেরামত প্রশিক্ষণে (রাজবাড়ী) লোক নিচ্ছে।
আমি ৩৫ দিন টেনিং করার জন্যে চলে গেলাম রাজবাড়ী। আমি আরো আনন্দিত হলাম যে রাজবাড়ী যাওয়ার গাড়ি ভাড়াটাও আমাকে ফরিদপুর জেলা আনসার ও ভি ডি পি অফিস থেকে দিয়ে দেওয়া হলো।
তৎকালিন সময় রাজবাড়ী আনসার ও ভি ডি পি অফিসের জেলাকমান্ড্যেডেট ছিলেন আমাদের শ্রদ্ধেয় এনামুল স্যার।বর্তমানে আমাদের ফরিদপুরে! আমরা গর্বিত এইরকম একজন সত নিষ্ঠাবান স্যারকে আমাদের মাঝে পেয়ে।
আমাদের মোবাইল ফোন সেট মেরামত প্রশিক্ষণ দিতেন অত্যান্ত অভিজ্ঞ সুজিত স্যার।তার দক্ষতায় আমরা মোবাইল ফোন মেরামতের কাজ শিখি।টেনিং এ যাওয়ার পর থেকে কাটানো ৩৫ টা দিন আমার জীবনটাকে একটা নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যে আবদ্ধ করে দিয়েছে আমাদের এমদাদ স্যার।টেনিং শেষে একটা সার্টিফিকেট নিয়ে বাড়ী ফিরে আসি।
কিছুদিন পরে নিজের চেষ্টায় সামান্য কিছু পুজি নিয়ে আমাদের কুঞ্জোনগর বাজারে আমি একটা মোবাইল ফোন সার্ভিসিং ও মাল্টিমিডিয়ার দোকান দেই। প্রথম মাসে আমার ইনকাম হয় ৮ হাজার টাকা। আস্তে আস্তে আমার ইনকাম বাড়তে থাকে।এখন আমার মাসিক ইনকাম প্রায় ২০ হাজার টাকা কোন মাসে আবার বেশিও হয়।
আমার দোকানের বয়স এক বছর। এই এক বছরে আমার সমস্ত দোকান খরচ বাদে আমার কাছে প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা রয়েছে ।

এখন আমার পড়ালেখার খরচের জন্য কারো কাছে হাত পাত্তে হয় না বরং আমার উপার্যনের উপর আমাদের সংসার দন্ডায়োমান হতে যাচ্ছে।আমি ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশ আনসার ও ভি ডি পি কে যাদের মহৎ উদ্দ্যোগ আমার মত বেকার ও হতাশা গ্রস্ত যুবকদের অন্ধকার থেকে আলোর পথে পরিচালিত করছে।

 

রায় নিয়ে বহুদূর যেতে হবে..ক্যাথরিন মাসুদ

ক্যাথরিন মাসুদ: ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিম্ন আদালতে মামলা করেছিলাম। জনস্বার্থ জড়িত থাকায় মামলাটি পরে হাইকোর্টে নিয়ে আসি। মামলাটি পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে চলেছে। হাইকোর্টের এই রায় থেকে অবশেষে আমি সান্ত্বনা পেলাম। একটা বড় পদক্ষেপ নিয়ে আমি এগিয়ে এসেছি, কিন্তু আরও বহুদূর আমাদের যেতে হবে। 
যে ঘটনায় তারেক মাসুদ-মিশুক মুনীরসহ এতগুলো প্রাণ ঝরে গেল, সেটিকে আমরা বলি দুর্ঘটনা। কিন্তু এটা নিছকই দুর্ঘটনা নয়। এমন ঘটনার পেছনে অনেক মানুষেরই দায়দায়িত্ব আছে। শুধু চালকের নয়। বাস বা ট্রাক কোম্পানি, মালিক, বিমা প্রতিষ্ঠানেরও দায়দায়িত্ব আছে। রায়ের মধ্য দিয়ে আমরা তাদের যতটা দায়বদ্ধ করতে পারব, ভবিষ্যতে তারা ততটাই সতর্ক হবে। আমরা সবাই তাহলে তা থেকে একটি ফল পাব। 
যা হারিয়েছি, তা তো আর কখনো ফিরে পাব না। কিন্তু এই রায়ে আমরা তার একটা স্বীকৃতি পেলাম। রায়টাকে আমি ইতিবাচকভাবে দেখছি। আমরা আমাদের কাছের মানুষকে হারিয়েছি। কিন্তু শুধু সেটাই তো নয়। ব্যক্তিজীবনে আর্থিকভাবেও আমাদের ক্ষতি হয়েছে। তারই স্বীকৃতি দিলেন আদালত। দুর্ঘটনার ফলে যে ক্ষতিপূরণ চাওয়া যায়, মোটরযান অধ্যাদেশেও যে এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা আছে, মানুষ এখন সে ব্যাপারে সচেতন হবে। তারা বুঝতে পারবে, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাদেরও কিছু একটা করার আছে। তবে আমি বলব, এটা আমাদের আংশিক জয়। সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে যখন একটি ন্যায়সম্মত ও সঠিক আইনগত প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠিত হবে, পূর্ণ জয় আসবে তখন। 
ব্যক্তিগতভাবে আমাকে অনেক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। আমার সবচেয়ে কাছের মানুষটিকে আমি হারিয়েছি। আমাদের ভবিষ্যৎ কাজের যেসব পরিকল্পনা ছিল, সব ভেস্তে গেছে। ২০ বছর ধরে বাংলাদেশে ধীরে ধীরে স্থায়ীভাবে আমার নিজের যে ব্যক্তিজীবন গড়ে উঠেছিল, তাও তছনছ হয়ে গেছে। আমার পুরো জীবনটাই বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। অনেকের ধারণা, তারেক ও ক্যাথরিন মাসুদ অঢেল সম্পদের অধিকারী। তা তো নয়। কখনোই আমাদের তা ছিল না। আমাদের নিজেদের বাড়ি ছিল না। ভাড়া বাসায় থাকতাম। দুর্ঘটনার পর এক বছরের শিশুসন্তানটিকে নিয়ে বন্ধুদের বাড়িতে উঠতে বাধ্য হয়েছি। দুর্ঘটনায় আমার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। নিজের টাকায় চোখে চারটা অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। তরুণ বয়স থেকে বাংলাদেশই হয়ে উঠেছিল আমার ঠাঁই। তাই যুক্তরাষ্ট্রে আমার নিজের কোনো জায়গা নেই। সেখানে এখন মায়ের কাছে উঠেছি। সে দেশে একেবারে নতুন করে আমাকে সংগ্রাম শুরু করতে হয়েছে। অনেকেই এসব কথা জানে না। 
তারেক মাসুদ তার পরিবারের বড় ছেলে ছিল। সে চলে যাওয়ার পর তার পরিবারও অসহায় হয়ে পড়েছে। তাদের শক্ত হয়ে উঠতে অনেক সহযোগিতা করতে হয়েছে। তার মা, ছোট ভাই, প্রতিবন্ধী বোনের অনেকটা দায়িত্ব আমাকে নিতে হলো। দুর্ঘটনায় যারা আহত হয়েছে, তারা নানা জায়গা থেকে নানাভাবে অনেক সহায়তা পেয়েছে। আমি তো কিছু পাইনি। তারেকের মা আর আমাদের ছেলের জন্যও এমন সহযোগিতা প্রয়োজন ছিল। 

ক্যাথরিন মাসুদ: চলচ্চিত্র নির্মাতা ও তারেক মাসুদের স্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষন ও ফরিদপুরের আলীপুরের অজানা ইতিহাস..শামীম হক

শামীম হক: মনে পরে গেলো সেই ৭০ দশকের শেষ বছর গুলির কথা। বঙ্গবন্ধু নেই, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা দিশেহারা , স্বাধীনতা বিরোধী জাতির শত্রু রাজাকার-আলবদর ৭১ এর ঘাতক-ধর্ষকেরা  রাজনৈতিক এবং সামাজিকভাবে জিয়াউর রহমানের কল্যানে প্রতিষ্ঠিত , মুক্তিযোদ্ধারা অত্যাচারিত , দেশ ছাড়া,ইতিহাস বিকৃতির মহাউৎসব চলছে , রেডিও-টেলিভিশনে বঙ্গবন্ধু নিষিদ্ধ সেই সময় রাজনীতিতে এসেছি। আমাদের রাজনীতির প্রধান লক্ষই ছিল বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। সেই সময় রাজনীতিতে বৃহত্তর ফরিপুরের একমাত্র আলীপুর মহল্লার তৎকালিন তরুন ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে আমি শামীম হক বৃহত্তর ফরিদপুরের ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত  সভাপতি ছিলাম।ওই সময় প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষন বাজাই এবং বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের দাবিতে বৃহত্তর ফরিদপুরে দুর্গ গড়ে তুলি। এই জন্য ৭৫ পরবর্তি স্বৈরাচারী সরকারের জেল জুলুম এবং অত্যচারের স্বীকার হই আমি। অনেকেই প্রান দিয়েছিলো, গুম হয়েছিলো , হত্যার শিকার হয়েছিলো। অল্পের জন্য আমি প্রানে বেচে গেলেও তারা আমাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করে।অবশেষে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছিলো আমাকে।পাড়ি জমাতে হয়েছিল হল্যান্ডে। সেই দুর্দিনে ,বঙ্গবন্ধুর ভাষণ তো দূরের কথা বঙ্গবন্ধু নিজেই জাতীয় রেডিও-টেলিভিশনে নিষিদ্ধ ছিলেন। আজ তাঁর ভাষণ ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেল। আমাদের দেশে জাতি বিরোধী একটা দূষিত রক্তের ধারা আছে এবং ছিল যারা আজও পাকিস্তানের স্বপ্ন দেখে। এদের কাছে বঙ্গবন্ধুর সবচেয়ে বড় অপরাধ তিনি দেশের স্বাধীনতা এনেছেন। এই অপশক্তির চেতনা এমন , এরাই জাতির জনককে অবমূল্যায়ন করেছে কিন্তু বিশ্ববাসী আজ তাঁকে একজন মহান মানুষ হিসাবে মূল্যায়ন করলো।

নেত্রীর গতকালের সোহরাওয়ার্দীতে দেওয়া বক্তব্য শোনার পর আমার অনেকের নামই আজ মনে পড়ে যায় যাদের কাছে আমি এবং ফরিদপুরবাসী কৃতজ্ঞ।তাদের মধ্যে রয়েছেন,প্রয়াত ইমাম উদ্দীন আহমেদ,প্রয়াত এস এম নুরুন্নবী,প্রয়াত এ্যাড. সামচুদ্দিন মোল্লা,প্রয়াত হাসিবুল হাসান লাবলু,মাহাবুবুর রহমান খান,প্রয়াত রওশন,মনিরুল হাসান মিঠু,শহিদুল ইসলাম নিরু,প্রয়াত আব্দুল হাই মিয়া,প্রয়াত মোঃ সোলায়মান,বাবু বিপুল ঘোষ,শ্যামল ব্যানার্জী,মুক্তিযোদ্ধা আবুল ফয়েজ শাহনেওয়াজ,প্রয়াত আশরাফুজ্জামান মজনু,কেন্দ্রীয় যুবলীগের অন্যতম প্রেসিডিয়াম মেম্বার মোঃ ফারুক হোসেন এবং মাইক ম্যান দুলাল। 

উল্লেখিত ব্যাক্তিদের নামগুলো আমার চিরদিন মনে থাকবে শুধু ক্রান্তিকালে তাদের সাহসী ভূমিকার জন্য।

কাতারেও শেষ রক্ষা হলোনা এম এ গনির

শফিকুল ইসলাম প্রধান: ইউরোপ আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী এম এ  গনি  গত ৪ তারিখে কাতার আসেন, আসার আগে আপনার লিখাটা বেশ কাজে লেগেছে। গনি সাহেব গত ৪ তারিখে কাতার আসেন, আসার আগে আমার অনেক কর্মীকে ফোন ও এস এম এস করেন কেউ সাড়া না দেওয়ায় এসে বার বার ফোন করেন। তারপর বার বার ফোন করে অনুরোধ করলে মহা নগরের সাধারন সম্পাদক তার সাথে দেখা করে তাকে ডিনার করান এর পর ছবি তুলে ফেসবুকে দিলে আমার থেকে পদ পদবী না পাওয়া একটা অংশ তাকে চা চক্রের আয়োজন করে ফেসবুকে দিলে বিভ্রান্তি শুরু হয়। মজার ঘটনা হলো, মহানগরের সাধারন সম্পাদক কে সেই সময় বলেন যে, কাতারে আওয়ামী লীগের কোন কমিটি অনুমোদন হবে না। তোমরা কেন আওয়ামী লীগ করো ? তোমাদের কে বলছে আওয়ামী লীগ করতে ? Middle East এ আওয়ামী লীগ করা নেএীর নিষেধ। এ বলে আমার অপর অংশের সবাইকে গালিগালাজ করেন। কিন্তু যখন চা চক্রের আয়োজন করা হয় তখন সব ঠিক হয়ে যায়। বলেন তোমরা একটা কমিটি আমার কাছে দাও আমি নেএীর কাছ থেকে অনুমোদন করিয়ে দেবো। তখন দোহা মহানগর এর সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন ও আওয়ামী কন্ঠের অন লাইন সম্পাদক মিল্লাত কামাল বুঝতে পারেন গনি একজন মিথ্যাবাদী ও ভন্ড। কেননা, তখন তারা নিজেদের মাঝে আলোচনা করেন যে, কাতারে আমাদের সভাপতি শফিকুল ইসলামের হাত ধরে সকলের সাথে পরিচিত হন এবং আওয়ামী লীগের অপর অংশের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী ফেসবুকে গনির ছবি X লাল কালি দিয়ে গনি একজন ভন্ড, মিথ্যুক ও আরো অনেক কিছু লিখায় Prodhan সাহেব তিব্র নিন্দা জানান এবং এটাকে নিয়ে গত ১৫ আগস্ট দূতাবাসে মারামারি হয় অথচ Prodhan কে বাদ দিয়ে কমিটি করার আশ্বাস দেয়। এর একটা কারন ও আছে, গনি দেশে গিয়ে চিটাগাং ৯ এবং ১০ আসনে নির্বাচন করবে। তাই তার একটা D S L R একটা Camera দরকার। তাই Prodhan সাহেবকে ফোন করে একটা Camera পাঠানোর জন্য বলেন, কিন্তু আমি তো বেকার কি করে এতো দাম দিয়ে Camera পাঠাই ? তখন গনি সাহেব বলেন, আমি Camera দাম দিয়ে দেবো, তু মি যে করেই পাঠিয়ে দাও। তারপর আমি আমার ছেলের কাছে Camera পাঠিয়ে দেই এবং রিসিট টা মেসেন্জার এ দিলে গনি সাহেব রেগে যান। এর পর থেকে বিরোধ। যাক, এর পর চা চক্র সেরে ২ দিন পর কাতার হইতে দেশে যান। ৩/৪ দিন দেশে থাকেন এরপর আবার দেশ থেকে কাতারে এসে ওদের সাথে বৈঠকে বসে বলেন, আমি নেএীর সাথে দেখা করেছি। তোমাদের কমিটি নিয়ে আলাপ করেছি । নেএী আমাকে কাতারসহ Middle East এর দায়িত্ব দিয়েছেন আওয়ামী লীগের কমিটি করার জন্য। এর পর গতকাল আওয়ামী কন্ঠের অন লাইন সম্পাদক মিল্লাত কামাল কে ফোন করে কড়া ভাষায় নির্দেশ দেন যে, আওয়ামী কন্ঠে লিখো যে নেএী সর্ব ইউরোপ ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক এম এ গনি সাহেবকে Middle East এর আওয়ামী লীগ কমিটি গঠনের দায়িত্ব দিয়েছেন। এটা তুমি আওয়ামী কন্ঠে দাও। এরপর মিল্লাত কামাল বলেন, আপনি লীডারের সাথে কথা বলেন, কারন আওয়ামী কন্ঠের যাবতীয় সাপোর্ট আমাদের লীডার শফিকুল ইসলাম Prodhan দেন। এরপর ধমক দিয়ে লিখার জন্য নির্দেশ দিলে মিল্লাত কামাল বলেন কি লিখতে হবে লিখা পাঠান। এ হলো গনির ভন্ডামী। এবার বলুন আমি কি করতে পারি ? আমি একজন মুরুব্বি কে অপমান করতে চাইনি। কিন্তু সীমা ছাড়িয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ এর নেতাদের বদনাম হবে বলে সব কিছু মুখ বুঝে ধৈর্য ধারন করতেছি। আমাদের মাঝে ভাঙনের মূল হোতা গনি সাহেব। গনি কার বেশী টাকা আছে এমন নেতা খোজতেছেন। এমন কি গনি সাহেব বলেছেন, আওয়ামী লীগ এর সভাপতি হলে Land cruser গাড়ী ও বিপুল অর্থ থাকতে হবে। এর অর্থটা কি বুঝি না।আমার অনেক কর্মীকে ফোন ও এস এম এস করেন কেউ সাড়া না দেওয়ায় এসে বার বার ফোন করেন। তারপর বার বার ফোন করে অনুরোধ করলে মহা নগরের সাধারন সম্পাদক তার সাথে দেখা করে তাকে ডিনার করান এর পর ছবি তুলে ফেসবুকে দিলে আমার থেকে পদ পদবী না পাওয়া একটা অংশ তাকে চা চক্রের আয়োজন করে ফেসবুকে দিলে বিভ্রান্তি শুরু হয়। মজার ঘটনা হলো, মহানগরের সাধারন সম্পাদক কে সেই সময় বলেন যে, কাতারে আওয়ামী লীগের কোন কমিটি অনুমোদন হবে না। তোমরা কেন আওয়ামী লীগ করো ? তোমাদের কে বলছে আওয়ামী লীগ করতে ? Middle East এ আওয়ামী লীগ করা নেএীর নিষেধ। এ বলে আমার অপর অংশের সবাইকে গালিগালাজ করেন। কিন্তু যখন চা চক্রের আয়োজন করা হয় তখন সব ঠিক হয়ে যায়। বলেন তোমরা একটা কমিটি আমার কাছে দাও আমি নেএীর কাছ থেকে অনুমোদন করিয়ে দেবো। তখন দোহা মহানগর এর সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন ও আওয়ামী কন্ঠের অন লাইন সম্পাদক মিল্লাত কামাল বুঝতে পারেন গনি একজন মিথ্যাবাদী ও ভন্ড। কেননা, তখন তারা নিজেদের মাঝে আলোচনা করেন যে, কাতারে আমাদের সভাপতি শফিকুল ইসলামের হাত ধরে সকলের সাথে পরিচিত হন এবং আওয়ামী লীগের অপর অংশের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী ফেসবুকে গনির ছবি X লাল কালি দিয়ে গনি একজন ভন্ড, মিথ্যুক ও আরো অনেক কিছু লিখায় Prodhan সাহেব তিব্র নিন্দা জানান এবং এটাকে নিয়ে গত ১৫ আগস্ট দূতাবাসে মারামারি হয় অথচ Prodhan কে বাদ দিয়ে কমিটি করার আশ্বাস দেয়। এর একটা কারন ও আছে, গনি দেশে গিয়ে চিটাগাং ৯ এবং ১০ আসনে নির্বাচন করবে। তাই তার একটা D S L R একটা Camera দরকার। তাই Prodhan সাহেবকে ফোন করে একটা Camera পাঠানোর জন্য বলেন, কিন্তু আমি তো বেকার কি করে এতো দাম দিয়ে Camera পাঠাই ? তখন গনি সাহেব বলেন, আমি Camera দাম দিয়ে দেবো, তু মি যে করেই পাঠিয়ে দাও। তারপর আমি আমার ছেলের কাছে Camera পাঠিয়ে দেই এবং রিসিট টা মেসেন্জার এ দিলে গনি সাহেব রেগে যান। এর পর থেকে বিরোধ। যাক, এর পর চা চক্র সেরে ২ দিন পর কাতার হইতে দেশে যান। ৩/৪ দিন দেশে থাকেন এরপর আবার দেশ থেকে কাতারে এসে ওদের সাথে বৈঠকে বসে বলেন, আমি নেএীর সাথে দেখা করেছি। তোমাদের কমিটি নিয়ে আলাপ করেছি । নেএী আমাকে কাতারসহ Middle East এর দায়িত্ব দিয়েছেন আওয়ামী লীগের কমিটি করার জন্য। এর পর গতকাল আওয়ামী কন্ঠের অন লাইন সম্পাদক মিল্লাত কামাল কে ফোন করে কড়া ভাষায় নির্দেশ দেন যে, আওয়ামী কন্ঠে লিখো যে নেএী সর্ব ইউরোপ ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক এম এ গনি সাহেবকে Middle East এর আওয়ামী লীগ কমিটি গঠনের দায়িত্ব দিয়েছেন। এটা তুমি আওয়ামী কন্ঠে দাও। এরপর মিল্লাত কামাল বলেন, আপনি লীডারের সাথে কথা বলেন, কারন আওয়ামী কন্ঠের যাবতীয় সাপোর্ট আমাদের লীডার শফিকুল ইসলাম Prodhan দেন। এরপর ধমক দিয়ে লিখার জন্য নির্দেশ দিলে মিল্লাত কামাল বলেন কি লিখতে হবে লিখা পাঠান। এ হলো গনির ভন্ডামী। এবার বলুন আমি কি করতে পারি ? আমি একজন মুরুব্বি কে অপমান করতে চাইনি। কিন্তু সীমা ছাড়িয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ এর নেতাদের বদনাম হবে বলে সব কিছু মুখ বুঝে ধৈর্য ধারন করতেছি। আমাদের মাঝে ভাঙনের মূল হোতা গনি সাহেব। গনি কার বেশী টাকা আছে এমন নেতা খোজতেছেন। এমন কি গনি সাহেব বলেছেন, আওয়ামী লীগ এর সভাপতি হলে Land cruser গাড়ী ও বিপুল অর্থ থাকতে হবে। এর অর্থটা কি বুঝি না।

 

লেখক: শফিকুল ইসলাম প্রধান

সভাপতি: কাতার আওয়ামী লীগ

 

 

 

একজন বিশেষ ব্যাক্তিত্ব শামীম হক: আজ তার জন্মদিন

জীবন থাকলে জীবনের অবসান আছে। এটা অনিবার্য। তবে বেশীর ভাগ জীবন শেষ হয় একজীবনে ,আবার কেউ কেউ মরেও বেচেঁ থাকেন,বহু জীবন ধরে।  সে কারনেই  বাংলার ছেলে বিক্রমপুরে জন্ম নেয়া জগৎখ্যাত সন্তান দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের মৃত্যুতে কবি গুরু লিখেছিলেন‘এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ,জীবনের শেষে তাই করে গেলে দান।’ রাজা রাম মোহন রায় যে যুগে সমাজকর্ম শুরু করেছিলেন,সে যুগে ভারতে বহু লোক  নিজস্ব ব্যাংকের মালিক ছিলেন। আজ সমাজ কর্ম দিয়ে রাম মোহন রায় বেচেঁ আছেন,ব্যাংকের মালিকরা নেই। এটা হচ্ছে সমাজ কর্মের ধর্ম। সমাজ কর্ম-রাজনীতি মানুষকে বাচিঁয়ে রাখে মুত্যুর পরও। যদিও এ কাজটি সকলকে দিয়ে হয় না,সকলে পারেন না। আগাধ বিত্ত থাকলেও অনেকের মনে সায় দেয়  না,নিজের টাকা খরচ করে,বিলিয়ে দিয়ে অপরের উপকার করতে।
  ফরিদপুরের সন্তান শামীম হক। দেশ বিদেশের অনেকেই  চিনেন তাকে । নানা জনে নানা ভাবে চিনেন । কারো বড় ভাই ,কারো কাছে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ,কারো কাছে সর্ব ইউরোপ আওয়ামলীগের নেতা। কারো কাছে বঙ্গবন্ধর রাজনৈতিক দর্শনে বিশ্বাসী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দৃড় আস্থাশীল একজন রাজনৈতিক নেতা। ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছিলেন দলের মহা দুর্দিনে,পচাত্তর সালের পরে। সক্রিয় কর্মী ছিলেন,নেতা ছিলেন। ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি ছিলেন,যখন বৃহত্তহর ফরিদপুর নিয়ে এক জেলা ছিলো। তারপর অন্কে দুর্দিন-দুর্বিপাক। দেশ ছাড়তে হয়,জিয়ার আমলে মামলায় জর্জরিত হয়ে। ইউরোপে গিয়েও ছাড়তে পারেননি রাজনীতি। হল্যান্ড আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি থেকে এখন তিনি সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। মাঝে ব্যবসায়ী হয়েছেন। নিজের অর্থ খরচ করে রাজনীতি করেন।

রাজনীতির পরিচয়ের উর্দ্ধে শামীম হকের আরেকটি বড় পরিচয় আছে তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছেন নীরেট একজন সমাজ সেবক হিসেবে। তাঁর অনেক পরিচয় ছাপিয়ে এটাই এখন অনেক বড়। ফরিদপুর শহরের অদূরে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘হল্যান্ড চিল্ডেন হাউস’। বাংলাদেশের এক মাত্র অসম্প্রদায়িক এতিম খানা। মুসলিম-হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান সকল জাতির অনাথের আবাস্থল এখানে। অসাম্প্রদায়িক এ এতিম খানাটি চালিত হয় শামীম হকের নিজের আয়ের অর্থে। শত শত এতিম অনাথের উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি আছে বাস্তব জীবনমূখী শিক্ষা।
 কেবল এখানেই সীমাদ্ধ নয় তারঁ সমাজকর্ম। প্রতি বছর বড় আয়োজন থাকে প্লাস্টিক সার্জারীর। ঠোঁট ফাঠা,তালু কাাঁটা ,নাফ ফাটা রোগীদের অপারেশন করান,ক্যাম্প করেন। চিকিৎসক আনেন ইউরোপ থেকে। খরচ করেন নিজে। অর্ধ মাস ধরে চলে এ আয়্জোন। রোগী আসে দেশের নানা প্রান্ত থেকে। বিনা মুল্যে চক্ষু চিকিৎসার আরেক আয়োজন করেন তিনি। এ আয়্জোনের নাম দিয়েছেন সর্বংসহা বঙ্গমাতা বেগম মুজিবের নামে‘ ফজিলাতুন নেসা আই ক্যাম্প। বিনা মুল্যে চক্ষু রোগীদের সেবা দেন-অপারেশন করেন।
  শামীম হক। আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন। মনোনয়ন চান না। দলীয় বানিজ্য করেন না। দল ভাঙ্গিয়ে ব্যাবসা করেন না। দলীয় কর্মীদের দেখেন। খোজঁ নেন। ব্যবসার আয়ের অর্থ খরচ করেন দলের স্বার্থে।
 ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময়ে তারঁ প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা তখোন কারাগারে। কেবল দেশেই নয় ওয়ান ইলেভেনের ¯্রষ্টাদের রক্তচক্ষু তখোন বিদেশেও । সে সময়ে প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে গোটা ইউরোপ তো বটেই বিশ্বব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলেন শামীম হক। ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে বক্তৃতা করেন। সেখানে ভাষন দেন টিউলিপ সিদ্দিকীও। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে অবস্থান নেন,দাবী তুলে ধরেন। ভিয়েনাতে বিক্ষোভ করেন।
শামীম হকের হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু-নেতৃত্বের আদর্শ শেখ হাসিনা। ধর্ম মানব সেবা। চেতনায় অসাম্প্রদায়িকতা। মননে মগজে মুক্তিযুদ্ধ। তিনি এগিয়ে চলছেন- বন্ধু প্রিয় সদা হাস্যজ্জোল-প্রাণ খোলা একজন শামীম হকের আজ জন্ম দিন। তারঁ জন্মদিনে আমাদের শুভেচ্ছা। নিরন্তর ভালোবাসা,শ্রদ্ধা। শামীম হক দীর্ঘায়ু হোন।

লেখক: অরিত্র জামান

 

এটা 'মিস বিপ্লবী ওয়ার্ল্ড' প্রতিযোগিতা না..আব্দুন নূর তুষার

আব্দুন নূর তুষার: যে কোনো প্রতিযোগিতার নিয়ম মেনেই সেটায় অংশ নিতে হয়। নিয়মে বলা আছে কখনো বিয়ে হয়েছে, সন্তান জন্ম দিয়েছে বা গর্ভপাত করানো হয়েছে এমন কোনো মেয়ে মিস ওয়ার্ল্ড ও মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে না।

এই নিয়ম ও প্রতিযোগিতা দুই বিষয়েই অনেক আপত্তি থাকতে পারে। কিন্তু যতক্ষণ নিয়ম আছে, সেটা মেনেই প্রতিযোগিতা করতে হবে। তার মধ্যে বিচারকরাও বলেছেন এই মেয়েকে তারা বিজয়ী করেন নাই। তার মানে দুবার নিয়ম এর বিপরীতে গিয়ে এই প্রতিযোগী বিজয়ী হয়েছে।

এর মধ্যে নারীবাদ নিয়ে আসলে, জালিয়াতিকে সমর্থন করে নারীবাদের ক্ষতি করা হয়। মনে রাখা দরকার, এটা 'মিস বিপ্লবী ওয়ার্ল্ড' প্রতিযোগিতা না, এটা এরিক মোরলে পরিবারের মালিকানায় পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিতে নারীকে দেখবার প্রতিযোগিতা।

প্রতিষ্ঠাতা : মরহুম সাংবাদিক আরিফ ইসলাম।
প্রকাশক: ওয়াহিদ সোহেল।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ইবনে সৈয়দ পিন্টু।
নির্বাহী সম্পাদক : রাজিব খান। বার্তা সম্পাদক : রুমন রহমান
যোগাযোগ : ১০৭/১, কাকরাইল, ঢাকা-১২১৭।
ইমেইল : AmarFaridpur@gmail.com