কাতারেও শেষ রক্ষা হলোনা এম এ গনির

শফিকুল ইসলাম প্রধান: ইউরোপ আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী এম এ  গনি  গত ৪ তারিখে কাতার আসেন, আসার আগে আপনার লিখাটা বেশ কাজে লেগেছে। গনি সাহেব গত ৪ তারিখে কাতার আসেন, আসার আগে আমার অনেক কর্মীকে ফোন ও এস এম এস করেন কেউ সাড়া না দেওয়ায় এসে বার বার ফোন করেন। তারপর বার বার ফোন করে অনুরোধ করলে মহা নগরের সাধারন সম্পাদক তার সাথে দেখা করে তাকে ডিনার করান এর পর ছবি তুলে ফেসবুকে দিলে আমার থেকে পদ পদবী না পাওয়া একটা অংশ তাকে চা চক্রের আয়োজন করে ফেসবুকে দিলে বিভ্রান্তি শুরু হয়। মজার ঘটনা হলো, মহানগরের সাধারন সম্পাদক কে সেই সময় বলেন যে, কাতারে আওয়ামী লীগের কোন কমিটি অনুমোদন হবে না। তোমরা কেন আওয়ামী লীগ করো ? তোমাদের কে বলছে আওয়ামী লীগ করতে ? Middle East এ আওয়ামী লীগ করা নেএীর নিষেধ। এ বলে আমার অপর অংশের সবাইকে গালিগালাজ করেন। কিন্তু যখন চা চক্রের আয়োজন করা হয় তখন সব ঠিক হয়ে যায়। বলেন তোমরা একটা কমিটি আমার কাছে দাও আমি নেএীর কাছ থেকে অনুমোদন করিয়ে দেবো। তখন দোহা মহানগর এর সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন ও আওয়ামী কন্ঠের অন লাইন সম্পাদক মিল্লাত কামাল বুঝতে পারেন গনি একজন মিথ্যাবাদী ও ভন্ড। কেননা, তখন তারা নিজেদের মাঝে আলোচনা করেন যে, কাতারে আমাদের সভাপতি শফিকুল ইসলামের হাত ধরে সকলের সাথে পরিচিত হন এবং আওয়ামী লীগের অপর অংশের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী ফেসবুকে গনির ছবি X লাল কালি দিয়ে গনি একজন ভন্ড, মিথ্যুক ও আরো অনেক কিছু লিখায় Prodhan সাহেব তিব্র নিন্দা জানান এবং এটাকে নিয়ে গত ১৫ আগস্ট দূতাবাসে মারামারি হয় অথচ Prodhan কে বাদ দিয়ে কমিটি করার আশ্বাস দেয়। এর একটা কারন ও আছে, গনি দেশে গিয়ে চিটাগাং ৯ এবং ১০ আসনে নির্বাচন করবে। তাই তার একটা D S L R একটা Camera দরকার। তাই Prodhan সাহেবকে ফোন করে একটা Camera পাঠানোর জন্য বলেন, কিন্তু আমি তো বেকার কি করে এতো দাম দিয়ে Camera পাঠাই ? তখন গনি সাহেব বলেন, আমি Camera দাম দিয়ে দেবো, তু মি যে করেই পাঠিয়ে দাও। তারপর আমি আমার ছেলের কাছে Camera পাঠিয়ে দেই এবং রিসিট টা মেসেন্জার এ দিলে গনি সাহেব রেগে যান। এর পর থেকে বিরোধ। যাক, এর পর চা চক্র সেরে ২ দিন পর কাতার হইতে দেশে যান। ৩/৪ দিন দেশে থাকেন এরপর আবার দেশ থেকে কাতারে এসে ওদের সাথে বৈঠকে বসে বলেন, আমি নেএীর সাথে দেখা করেছি। তোমাদের কমিটি নিয়ে আলাপ করেছি । নেএী আমাকে কাতারসহ Middle East এর দায়িত্ব দিয়েছেন আওয়ামী লীগের কমিটি করার জন্য। এর পর গতকাল আওয়ামী কন্ঠের অন লাইন সম্পাদক মিল্লাত কামাল কে ফোন করে কড়া ভাষায় নির্দেশ দেন যে, আওয়ামী কন্ঠে লিখো যে নেএী সর্ব ইউরোপ ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক এম এ গনি সাহেবকে Middle East এর আওয়ামী লীগ কমিটি গঠনের দায়িত্ব দিয়েছেন। এটা তুমি আওয়ামী কন্ঠে দাও। এরপর মিল্লাত কামাল বলেন, আপনি লীডারের সাথে কথা বলেন, কারন আওয়ামী কন্ঠের যাবতীয় সাপোর্ট আমাদের লীডার শফিকুল ইসলাম Prodhan দেন। এরপর ধমক দিয়ে লিখার জন্য নির্দেশ দিলে মিল্লাত কামাল বলেন কি লিখতে হবে লিখা পাঠান। এ হলো গনির ভন্ডামী। এবার বলুন আমি কি করতে পারি ? আমি একজন মুরুব্বি কে অপমান করতে চাইনি। কিন্তু সীমা ছাড়িয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ এর নেতাদের বদনাম হবে বলে সব কিছু মুখ বুঝে ধৈর্য ধারন করতেছি। আমাদের মাঝে ভাঙনের মূল হোতা গনি সাহেব। গনি কার বেশী টাকা আছে এমন নেতা খোজতেছেন। এমন কি গনি সাহেব বলেছেন, আওয়ামী লীগ এর সভাপতি হলে Land cruser গাড়ী ও বিপুল অর্থ থাকতে হবে। এর অর্থটা কি বুঝি না।আমার অনেক কর্মীকে ফোন ও এস এম এস করেন কেউ সাড়া না দেওয়ায় এসে বার বার ফোন করেন। তারপর বার বার ফোন করে অনুরোধ করলে মহা নগরের সাধারন সম্পাদক তার সাথে দেখা করে তাকে ডিনার করান এর পর ছবি তুলে ফেসবুকে দিলে আমার থেকে পদ পদবী না পাওয়া একটা অংশ তাকে চা চক্রের আয়োজন করে ফেসবুকে দিলে বিভ্রান্তি শুরু হয়। মজার ঘটনা হলো, মহানগরের সাধারন সম্পাদক কে সেই সময় বলেন যে, কাতারে আওয়ামী লীগের কোন কমিটি অনুমোদন হবে না। তোমরা কেন আওয়ামী লীগ করো ? তোমাদের কে বলছে আওয়ামী লীগ করতে ? Middle East এ আওয়ামী লীগ করা নেএীর নিষেধ। এ বলে আমার অপর অংশের সবাইকে গালিগালাজ করেন। কিন্তু যখন চা চক্রের আয়োজন করা হয় তখন সব ঠিক হয়ে যায়। বলেন তোমরা একটা কমিটি আমার কাছে দাও আমি নেএীর কাছ থেকে অনুমোদন করিয়ে দেবো। তখন দোহা মহানগর এর সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন ও আওয়ামী কন্ঠের অন লাইন সম্পাদক মিল্লাত কামাল বুঝতে পারেন গনি একজন মিথ্যাবাদী ও ভন্ড। কেননা, তখন তারা নিজেদের মাঝে আলোচনা করেন যে, কাতারে আমাদের সভাপতি শফিকুল ইসলামের হাত ধরে সকলের সাথে পরিচিত হন এবং আওয়ামী লীগের অপর অংশের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী ফেসবুকে গনির ছবি X লাল কালি দিয়ে গনি একজন ভন্ড, মিথ্যুক ও আরো অনেক কিছু লিখায় Prodhan সাহেব তিব্র নিন্দা জানান এবং এটাকে নিয়ে গত ১৫ আগস্ট দূতাবাসে মারামারি হয় অথচ Prodhan কে বাদ দিয়ে কমিটি করার আশ্বাস দেয়। এর একটা কারন ও আছে, গনি দেশে গিয়ে চিটাগাং ৯ এবং ১০ আসনে নির্বাচন করবে। তাই তার একটা D S L R একটা Camera দরকার। তাই Prodhan সাহেবকে ফোন করে একটা Camera পাঠানোর জন্য বলেন, কিন্তু আমি তো বেকার কি করে এতো দাম দিয়ে Camera পাঠাই ? তখন গনি সাহেব বলেন, আমি Camera দাম দিয়ে দেবো, তু মি যে করেই পাঠিয়ে দাও। তারপর আমি আমার ছেলের কাছে Camera পাঠিয়ে দেই এবং রিসিট টা মেসেন্জার এ দিলে গনি সাহেব রেগে যান। এর পর থেকে বিরোধ। যাক, এর পর চা চক্র সেরে ২ দিন পর কাতার হইতে দেশে যান। ৩/৪ দিন দেশে থাকেন এরপর আবার দেশ থেকে কাতারে এসে ওদের সাথে বৈঠকে বসে বলেন, আমি নেএীর সাথে দেখা করেছি। তোমাদের কমিটি নিয়ে আলাপ করেছি । নেএী আমাকে কাতারসহ Middle East এর দায়িত্ব দিয়েছেন আওয়ামী লীগের কমিটি করার জন্য। এর পর গতকাল আওয়ামী কন্ঠের অন লাইন সম্পাদক মিল্লাত কামাল কে ফোন করে কড়া ভাষায় নির্দেশ দেন যে, আওয়ামী কন্ঠে লিখো যে নেএী সর্ব ইউরোপ ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক এম এ গনি সাহেবকে Middle East এর আওয়ামী লীগ কমিটি গঠনের দায়িত্ব দিয়েছেন। এটা তুমি আওয়ামী কন্ঠে দাও। এরপর মিল্লাত কামাল বলেন, আপনি লীডারের সাথে কথা বলেন, কারন আওয়ামী কন্ঠের যাবতীয় সাপোর্ট আমাদের লীডার শফিকুল ইসলাম Prodhan দেন। এরপর ধমক দিয়ে লিখার জন্য নির্দেশ দিলে মিল্লাত কামাল বলেন কি লিখতে হবে লিখা পাঠান। এ হলো গনির ভন্ডামী। এবার বলুন আমি কি করতে পারি ? আমি একজন মুরুব্বি কে অপমান করতে চাইনি। কিন্তু সীমা ছাড়িয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ এর নেতাদের বদনাম হবে বলে সব কিছু মুখ বুঝে ধৈর্য ধারন করতেছি। আমাদের মাঝে ভাঙনের মূল হোতা গনি সাহেব। গনি কার বেশী টাকা আছে এমন নেতা খোজতেছেন। এমন কি গনি সাহেব বলেছেন, আওয়ামী লীগ এর সভাপতি হলে Land cruser গাড়ী ও বিপুল অর্থ থাকতে হবে। এর অর্থটা কি বুঝি না।

 

লেখক: শফিকুল ইসলাম প্রধান

সভাপতি: কাতার আওয়ামী লীগ

 

 

 

প্রতিষ্ঠাতা : মরহুম সাংবাদিক আরিফ ইসলাম।
প্রকাশক: ওয়াহিদ সোহেল।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ইবনে সৈয়দ পিন্টু।
নির্বাহী সম্পাদক : রাজিব খান। বার্তা সম্পাদক : রুমন রহমান
যোগাযোগ : ১০৭/১, কাকরাইল, ঢাকা-১২১৭।
ইমেইল : AmarFaridpur@gmail.com