একটি সাফল্যের গল্প: সাজ্জাদ হোসাইন

সাজ্জাদ হোসাইন: ফরিদপুর জেলা নগরকান্দা থানা রামনগর ইউনিয়নের ছোট্ট একটি গ্রাম রাধানগর সেই গ্রামের খুব সাধারন একটি ছেলে সাজ্জাদ হোসাইন তার নাম। সেই সাধারন ছেলেটির অসাধারন একটি সাফল্যের গল্প আপনাদের মাঝে তুলে ধরলাম।

আমি সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের একজন ছাত্র; এই ছাত্র নামটা টিকিয়ে রাখার জন্য আমাকে দিনের পর দিন অনেক মেহনত করতে হয়েছে কখনো কৃষি কাজ কখনো আবার অটো বাইকের হেন্ডেল ধরতে হয়েছে।

এরিমধ্যে আমি একটি খবর পেলাম আনসার ও ভি ডি পি মোবাইল ফোন মেরামত প্রশিক্ষণে (রাজবাড়ী) লোক নিচ্ছে।
আমি ৩৫ দিন টেনিং করার জন্যে চলে গেলাম রাজবাড়ী। আমি আরো আনন্দিত হলাম যে রাজবাড়ী যাওয়ার গাড়ি ভাড়াটাও আমাকে ফরিদপুর জেলা আনসার ও ভি ডি পি অফিস থেকে দিয়ে দেওয়া হলো।
তৎকালিন সময় রাজবাড়ী আনসার ও ভি ডি পি অফিসের জেলাকমান্ড্যেডেট ছিলেন আমাদের শ্রদ্ধেয় এনামুল স্যার।বর্তমানে আমাদের ফরিদপুরে! আমরা গর্বিত এইরকম একজন সত নিষ্ঠাবান স্যারকে আমাদের মাঝে পেয়ে।
আমাদের মোবাইল ফোন সেট মেরামত প্রশিক্ষণ দিতেন অত্যান্ত অভিজ্ঞ সুজিত স্যার।তার দক্ষতায় আমরা মোবাইল ফোন মেরামতের কাজ শিখি।টেনিং এ যাওয়ার পর থেকে কাটানো ৩৫ টা দিন আমার জীবনটাকে একটা নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যে আবদ্ধ করে দিয়েছে আমাদের এমদাদ স্যার।টেনিং শেষে একটা সার্টিফিকেট নিয়ে বাড়ী ফিরে আসি।
কিছুদিন পরে নিজের চেষ্টায় সামান্য কিছু পুজি নিয়ে আমাদের কুঞ্জোনগর বাজারে আমি একটা মোবাইল ফোন সার্ভিসিং ও মাল্টিমিডিয়ার দোকান দেই। প্রথম মাসে আমার ইনকাম হয় ৮ হাজার টাকা। আস্তে আস্তে আমার ইনকাম বাড়তে থাকে।এখন আমার মাসিক ইনকাম প্রায় ২০ হাজার টাকা কোন মাসে আবার বেশিও হয়।
আমার দোকানের বয়স এক বছর। এই এক বছরে আমার সমস্ত দোকান খরচ বাদে আমার কাছে প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা রয়েছে ।

এখন আমার পড়ালেখার খরচের জন্য কারো কাছে হাত পাত্তে হয় না বরং আমার উপার্যনের উপর আমাদের সংসার দন্ডায়োমান হতে যাচ্ছে।আমি ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশ আনসার ও ভি ডি পি কে যাদের মহৎ উদ্দ্যোগ আমার মত বেকার ও হতাশা গ্রস্ত যুবকদের অন্ধকার থেকে আলোর পথে পরিচালিত করছে।

 

প্রতিষ্ঠাতা : মরহুম সাংবাদিক আরিফ ইসলাম।
প্রকাশক: ওয়াহিদ সোহেল।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ইবনে সৈয়দ পিন্টু।
নির্বাহী সম্পাদক : রাজিব খান। বার্তা সম্পাদক : রুমন রহমান
যোগাযোগ : ১০৭/১, কাকরাইল, ঢাকা-১২১৭।
ইমেইল : AmarFaridpur@gmail.com