বিশ্বমানের বিনোদন কেন্দ্র হচ্ছে যাচ্ছে "টেপাখোলা লেক"

কে এম রুবেল, ফরিদপুর।
২১১ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশ্বমানের বিনোদন কেন্দ্র হতে যাচ্ছে ফরিদপুরের টেপাখোলা লেক। ২০১৯ সালের মাঝামাঝিতেই শুরু হতে যাচ্ছে এই কাজ।
ফরিদপুর সদর আসনের এমপি ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপির উদ্যোগে এলজিআইআইপি-৩ প্রকল্পের আওতায় আধুনিক এই টেপাখোলা রিসোর্ট নির্মান করা হবে। গত ৪ নভেম্বর একনেকে বৈঠকে প্রকল্পটি পাশ করা হয়েছে।

জানা গেছে টেপাখোলা লেকটির নাম করণ করা হয়েছে ফরিদপুর টেপাখোলা রিসোর্ট। এতে থাকছে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য, টেপাখোল রিসোর্ট, স্কুল ব্লক, জিমনেসিয়াম, মসজিদ, রিসোর্ট সেন্টার, ভিকটোরি মিউজিয়াম, ভিকটোরি কমপ্লেক্স, ওয়ান্ডার হুইল, ফুড কোড, সিনিয়র সিটিজেন কর্নার, আর্ট এন্ড ক্রাফ্ট সেন্টার, চিল্ড্রেন ওয়াটার গেইম, চিল্ড্রেন সুইমিংপুল, টেপা ক্যাফে ও হল, অ্যামিপথিয়েটার, বোর্ট ল্যান্ডিং ক্যাফে ও বঙ্গবন্ধু ইনডেক্স ফিঙ্গার টাওয়ার।

ফরিদপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নূর হোসেন ভূঞা বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশক্রমে ৩জন আর্কিটেক্ট টেপাখোলা লেক রিসোর্টটির বিশ্বমানের একটি ডিজাইন করেছেন। একেনেকেও পাশ হয়ে গেছে। এখন স্ট্রাকচারাল ডিজাইন শেষ হলে আগামী ৩/৪ মাসের মধ্যে কাজ শুরু করা যাবে।

তিনি বলেন, বিশাল এই কর্মযজ্ঞের মধ্যে বড় আকর্ষন এখানে ৩২০ ফিট উচ্চতার বঙ্গবন্ধু ইনডেক্স ফিঙ্গার টাওয়ার করা হবে। যার মধ্যে দুটি লিফট ও বেশ কয়েকটি রেষ্টুরেন্ট থাকবে। ৩ বছরের মধ্যে পুরো কাজটি শেষ করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, প্র্যাকটিক্যালি কাজ শুরু করতে গেলে কিছু সংযোজন বিয়োজন হতে পারে।

এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মৃধা বলেন, ফরিদপুর জেলাবাসী দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন ছিলো এই লেকটিকে আধুনিকায়ন করার। সরকার সেটি করছে। সরকারও স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই এমন একটি উদ্যোগ নেওয়ায়।

ফরিদপুরে চেম্বার অব কমার্স এর সিনিয়র সহসভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান জানান, এই প্রজেক্ট বাস্তবায়ন হলে ফরিদপুরের চেহারা আরো আধুনিক হবে। তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ ধরনে প্রকল্প নেওয়া ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অতীতে অনেকেই এ জেলায় মন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু মোশাররফ সাহেবের মতো উন্নয়ন চিন্তা এভাবে কেউ করেনি।

ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ইমতিয়াজ হাসান রুবেল বলেন, জেলাবাসীর স্বপ্ন ছিলো, এমন একটি প্রকল্পে। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর আধুনিক চিন্তায় শক্তির কারনেই এমন একটি দৃষ্টি নন্দন প্রকল্প জেলা বাসীর জন্য নিয়েছেন।

প্রতিষ্ঠাতা : মরহুম সাংবাদিক আরিফ ইসলাম।
প্রকাশক: ওয়াহিদ সোহেল।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ইবনে সৈয়দ পিন্টু।
নির্বাহী সম্পাদক : রাজিব খান। বার্তা সম্পাদক : রুমন রহমান
যোগাযোগ : ১০৭/১, কাকরাইল, ঢাকা-১২১৭।
ইমেইল : AmarFaridpur@gmail.com